• ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kali Puja

উৎসব

বর্ধমানে ‘দূর্গা মাতা সঙ্ঘের’ কালীপুজোয় সাবেকিয়ানা ও বনেদীয়ানার মেলবন্ধন

১৭ বছরে পদার্পণ করলো ঐতিহ্যবাহী পুজো, মণ্ডপে ভগ্নপ্রায় জমিদারবাড়ির রূপে ফুটে উঠেছে বাংলার মাটির ঘ্রাণ।পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান শহরের বাজেপ্রতাপপুর সংলগ্ন হটুদেওয়ান এলাকার কালীপুজো এবারেও নজর কাড়ছে থিমে ও ভাবনায়। দূর্গা মাতা সংঘ এবারে তাদের কালীপুজোর ১৭তম বছরে পদার্পণ করলো। প্রতি বছরই অভিনব থিমের মাধ্যমে মাতৃ বন্দনাকে নতুন রূপে উপস্থাপন করে এই সংঘ। ২০২৫ এ তাঁদের থিমসাবেকিয়ানা ও বনেদীয়ানা, যার মর্মবাণীগ্রাম বাংলার বনেদীয়ানা, মাটির ঘ্রাণে মিশে যায়,সাবেকিয়ানায় মাতৃ বন্দনা, অন্ধকারে আলো ছায়।থিমের এই ভাবনা শুধু কথায় নয়, প্রতিটি ইট ও মাটির গায়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বাংলার ঐতিহ্যের ছোঁয়া। শিল্পীদের সৃজনশীলতায় মণ্ডপে উঠে এসেছে এক পুরানো ভগ্নপ্রায় জমিদারবাড়ির প্রতিরূপ। বাড়ির ছাদে গজিয়ে উঠেছে বটগাছ, যার ঝুরি নেমে এসেছে বারান্দা ছুঁয়ে, আর দেওয়ালের পলেস্তারা খসে পড়েছেসব মিলিয়ে যেন হারিয়ে যাওয়া সময়ের এক নিঃশব্দ গল্প বলা হচ্ছে মণ্ডপের দেওয়ালে দেওয়ালে।তবে শুধু প্রাচীনতার ছায়া নয়, ভগ্নপ্রায় জমিদারবাড়ির এই চেহারাকে ঢেকে দেওয়া হয়েছে আধুনিকতার কোমল পরশে। মণ্ডপের চারপাশে ফুলের সাজ, আলোর মেলা ও রঙিন ব্যাকড্রপে এক চমকপ্রদ রূপ পেয়েছে মায়ের আবাস। যেন অতীত ও বর্তমানের মিলন ঘটেছে এক মঞ্চেযেখানে ঐতিহ্যের গন্ধে ভরে উঠেছে আধুনিকতার আলো।রবিবার সন্ধ্যায় দূর্গা মাতা সংঘর এই পুজোর উদ্বোধন করেন বর্ধমান সদর দক্ষিণের মহকুমাশাসক বুদ্ধদেব পান। তিনি উপস্থিত সকলকে দীপাবলির অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান। সুন্দর পারিবারিক পরিবেশ ও সুন্দর প্রতিমা ও প্যান্ডালের ফুলের সাজ দেখে বর্ধমান সদর দক্ষিণের মহকুমাশাসক দূর্গা মাতা সঙ্ঘর ভুয়াশী প্রশংসা করেন। উদ্বোধন পর্বের পর পাড়ার কচিকাঁচা নিয়ে নাচ-গান-কবিতা সহ নানাবিধ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।দূর্গা মাতা সংঘ-র সম্পাদক তারকনাথ মুখোপাধ্যায় জনতার কথাকে জানান, সোমবার রীতি মেনে কালীপুজোর আয়োজন করা হবে, ভক্তদের উপস্থিতিতে মাতৃ আরাধনায় মুখরিত হবে গোটা এলাকা। মঙ্গলবার সংঘ-র সদস্য ও পরিবার বর্গের মধ্যে মায়ের ভোগ বিতরণ করা হবে। যেখানে প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ৮০০-র বেশি মানুষ মায়ের ভোগ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। পুজো পর্বের সমাপ্তি হবে বুধবারের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, যেখানে স্থানীয় প্রতিভা ছাড়াও বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করবেন।আয়োজক কমিটির সভাপতি শৈলেন্দ্র নাথ বিশ্বাস জানান, এই থিমের মাধ্যমে আমরা আজকের প্রজন্মকে স্মরণ করাতে চাই সেই গ্রাম বাংলার গরিমাযেখানে ছিল বনেদিয়ানা, ঐতিহ্য আর মাটির ঘ্রাণে ভরা এক সহজ সরল জীবন। আধুনিকতার ভিড়ে সেই আবেগ যেন হারিয়ে না যায়, সেটাই আমাদের প্রয়াস।স্থানীয় বাসিন্দারাও উচ্ছ্বসিত। স্থানীয় বাসিন্দা রীনা বোধক জানান, প্রতি বছর এই পুজো যেন গোটা এলাকাটাকে নতুনভাবে একত্র করে। শুধু দেবী বন্দনা নয়, আমাদের শিকড়কে মনে করিয়ে দেয় এই আয়োজন। আমরা গোটা পাড়া চারদিন হই-হই করে কাটিয়ে দিই। ২০২৫-র দূর্গা মাতা সংঘর থিমের শিল্পী সুব্রত বৈরাগী, এবং তাঁকে পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন সংঘ-র সক্রিয় সদস্য সৌম্য দাস।হরিনারায়নপুরের এই কালীপুজো আজ শুধুই ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং এক সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের প্রতীকযেখানে দেবী কালী যেন শুধু অন্ধকারের বিনাশিনী নন, বরং ঐতিহ্যের রক্ষাকর্ত্রী, যিনি মাটির গন্ধে মিশে আছেন গ্রামীণ বাংলার প্রতিটি প্রাণে।

অক্টোবর ১৯, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

কালী পুজোর নতুন মিউজিক ভিডিও

উমা বিদায়ের আবেগের মাঝেই অশুভ শক্তির বিনাশে মা কালির আবাহনে রাজ্য সহ গোটা দেশবাসী। কিন্তু মানবমনে এই দুর্গা বা কালীর ভাবাবেগ ঠিক কতটা আর তাকেই জাগ্রত করতে অর্পিতা রায় ও পরিচালক শুভ্রজিৎ দাসের পরিচালনায় সমস্ত অডিও প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে পুজোর নতুন গান জাগো দুগ্গা মা। কিশুর মিউজিক কম্পোজিশনে ও সৌহার্দ্যর কন্ঠে কালি পুজোর আগে মুক্তি পাওয়ার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই গান। এই মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন অর্পিতা রায়, প্রিয়া চন্দ, দিবেন্দু দাস দের মতো তরুণ প্রজন্মের শিল্পীদের। নারী ক্ষমতায়নের পাশাপাশি সাম্প্রতিক আরজিকরের ঘটনাও গান হয়ে ধরা দিয়েছে এই অডিও প্রোজেক্টটিতে। আর কিছুদিন অপেক্ষা। এরপরই প্রকাশিত হবে এই গানের ভিডিও। এই ভিডিওর দায়িত্বে রয়েছেন আরিয়ান শুভ্র ও অর্পন ঘোষ। প্রোজেক্টির পোস্টার ডিজাইন করেছেন সন্দীপন চক্রবর্তী।

নভেম্বর ০৩, ২০২৪
উৎসব

বর্ধমান শহরে ৫১ ফুটের কেদারনাথ মন্দির দেখতে ভক্তদের ঢল

কালীপুজোর ধারে-ভারে উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা, নদীয়া জেলার দাপট থাকলেও আসতে আসতে বাঙালির ১২ মাসের ১৩ পার্বণের অন্যতম এই পুজো ক্রমশ জমজমাট আকার ধারন করেছে দক্ষিণ বঙ্গের অন্যতম জেলা পূর্ব-বর্ধমানে। সন্ধ্যা নামতেই আলোর উৎসব ও শক্তির আরাধনায় মেতে উঠেছেন জেলাবাসী। নানা ধরনের থিম থেকে জনপ্রিয় স্থাপত্যের অনুকরণে তৈরি পুজো মণ্ডপের পাশাপাশি, বেশ কিছু ঐতিহ্যশালী মন্দিরে এবারও জমজমাট শ্যামাপুজো।কালীপুজোর মণ্ডপেও থিমের ছড়াছড়ি। কোথাও দিল্লী-র লালকেল্লা তো আবার কোথাও দুর্গম অমরনাথ। সেই থিমের আশ্রয় নিয়েই জমজমাট পুজোর আয়োজন হয়েছে বর্ধমান শহরের বাজেপ্রতাপপুর সংলগ্ন হরিনারায়ণপুরের দুর্গামাতা সংঘের কালি পুজোয়। ১৫তম বছরে তাঁদের নিবেদন রাঙা জবার সূত্রে গাঁথা। আকর্ষণ এই কেদারনাথ।। ভারতের বিখ্যাত তীর্থ যাত্রাগুলির মধ্যে অন্যতম প্রসিদ্ধ তীর্থস্থান কেদারনাথ। কেদারনাথ পুণ্যভুমি ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যে গাড়োয়ালের হিমালয় পর্বতশ্রেণীতে অবস্থিত কেদারনাথ শহরে মন্দাকিনী নদীর তীরে স্থাপিত একটি শিব মন্দির। মন্দিরের ইতিহাসকে স্মরণ করে ভক্তদের ঢল নামে এই মণ্ডপে। পুজোর দিন সকাল থেকেই মন্দিরে ভক্তসমাগম শুরু হয়ে যায়। রাতে পুজোর বিশেষ আয়োজন করা হয়। এই পুজোয় ভক্তদের জমায়েতকে কেন্দ্র করে বর্ধমান শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে বিশেষ নজর রাখার জন্য বর্ধমান থানার পক্ষ থেকে সিভিক ভলেন্টিয়ার পাঠানো হয়।দুর্গামাতা সংঘের কেদারনাথ মন্দিরের আদলে তৈরি মণ্ডপ দেখতে শহর ও শহরের আশপাশ থেকে প্রচুর মানুষের আগমন হচ্ছে। এবছরে তাঁদের মণ্ডপের উদ্বোধন করেন রামকৃষ্ণ আশ্রমের মহারাজ স্বামী অজ্ঞেয়ানন্দ ও পূর্ব বর্ধমান জেলা মহিলা থানা ইন্সপেক্টর-ইন-চার্জ বনানী রায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে তাঁরা এলাকার কচিকাঁচাদের নিয়ে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। হোম মহাযজ্ঞ-এর মধ্যদিয়ে শ্যামা মায়ের আরাধনায় ব্রতী হন তাঁরা। পুজোর পরেরদিন সন্ধ্যায় মায়ের ভোগের আয়োজন করেন দুর্গা মাতা সংঘ, প্রায় সহস্রাধিক মানুষ মায়ের ভোগ গ্রহণ করেন।১৫তম বছরে দুর্গা মাতা সংঘের ৫১ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট কেদারনাথ মণ্ডপ দেখতে মানুষের ঢল নামে। স্থাপত্যের সাথে সাথে আলোর রোশনাই-এ সেজে উঠেছে তাঁদের মণ্ডপ। সংঘের এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সৌম্য দাস জনতার কথাকে জানান, এবছরে তাঁদের পুজোর বাজেট প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। মূলত সদস্য চাঁদা ও কিছু সহৃদয় সংস্থা হাত বাড়িয়েছেন বলেই আমাদের মত ছোট্ট পাড়ায় বড় মাপের পুজো করা সম্ভব হয়েছে। তিনি জনতার কথার মাধ্যমে সেই সমস্ত সহৃদয় ব্যক্তি ও সংস্থা কে ধন্যবাদ জানান। সাথে সাথে সংঘের প্রতিটি সদস্য কেও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, দুর্গা পুজোর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে এত বড় পুজোর আয়োজন করা খুবই কষ্টসাধ্য এক কাজ, তা সম্ভব হয়েছে একমাত্র ক্লাবের সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য-ই।সংঘের অপর এক সদস্য তারকনাথ মুখোপাধ্যায় জানান, দেখতে দেখতে আমাদের পুজো ১৫তম বছরে পদাপর্ণ করল। নিছকই পুজোর আনন্দে পুজো করার নেশা নিয়ে শুরু করা দুর্গা মাতা সংঘের ছোট্ট পুজো ক্রমশ মহীরুহতে পরিণত হচ্ছে। এতে আগামীদিনে দায়ীত্বও অনেকগুন বেড়ে যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, আমাদের অনুভুতি অনেকটা জনপ্রিয় বাংলা কমেডি শোয়ে পরান বন্দ্যোপাধ্যায়-র বিখ্যাত ডায়লগ ভালো হয়েছে, কিন্তু আরও ভালো করতে হবে-র মত। মানুষের চাহিদা পুরণের চ্যালেঞ্জ-ই সবচেয়ে প্রাধান্য আমাদের কাছে।দুর্গা মাতা সংঘের কালচারাল কমিটির প্রধান চঞ্চল চৌধুরি জানান, উদ্বোধনের দিন এলাকার কচিকাঁচারা কবিতা, গান, ছোট নাটিকা, নৃত্য-এ প্রায় ২৫ জন তাঁদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে। তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁরা আরও একটি জমজমাট গানবাজনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রতিমা নিরঞ্জন করা হবে বলে তিনি জানান।

নভেম্বর ১৪, ২০২৩
রাজ্য

দীপাবলির মাঝ রাতে বর্ধমানে নির্মলঝিল মহাশ্মশানে মহা গণ্ডগোল, ত্রস্ত দর্শনার্থী

কালীপুজো ও দীপাবলির রাত দেড়টা নাগাদ বর্ধমানে নির্মলঝিল মহাশ্মশান এলাকায় ভাঙচুর ও তান্ডব চালালো বেশ কয়েকজন। অভিযোগ তারা সকলেই নিজেদের স্থানীয় তৃনমূল নেতা ও কর্মী বলে পরিচয় দেয়। এই ঘটনায় শ্মশান কালি মন্দির কমিটির ১০ জন সদস্যকে বেধারক মারধর করা হয়, তাদের মধ্যে তিনজন বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি বলে জানা গেছে। তান্ডবের ঘটনায় রাতে নির্মলঝিল মহাশ্মশান এলাকায় উত্তেজনা দেখা যায়, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বর্ধমান থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।বর্ধমান শহরের নির্মলঝিল মহাশ্মশানে কালিপূজো দেখতে ভির জমান বহু মানুষ, এবারও প্রচুর মানুষ উপস্থিত ছিলেন কালিপূজো দেখতে। পুজো কমিটির অভিযোগ, হঠাৎই নিজেকে তৃণমূল নেতা পরিচয় দেওয়া আকাশ সিং মদ্যপ অবস্থায় সঙ্গী সাথীদের নিয়ে মহাশ্মশানে উপস্থিত হয়। কমিটির সদস্যদের সাথে দু-এক কথা হওয়ার পরেই ভাঙচুর চালায় মহাশ্মশান চত্বরে। ভেঙে দেওয়া হয় প্রায় ৫০ টি চেয়ার ও টেবিল। সেই সঙ্গে কমিটির ১০ জন সদস্যকে বেধারক মারধর করা হয় বলে তাঁদের অভিযোগ। এই তান্ডব লীলা দেখে মহাশ্মশানে আগত সকল দর্শনার্থীরা দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দেয়, মুহুর্তে শান্ত এলাকা রনক্ষেত্রের চেহারা নেয়। ঘটনাস্থলে বর্ধমান থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাত দুটো নাগাদ ঘটনাস্থলে আসেন ২১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর শ্যামাপ্রসান্ন ব্যানার্জি। তিনি জানান, এই ঘটনাটি নিজের চোখে দেখেননি। সম্পূর্ণ বিষয়টি এলাকা মানুষদের কাছে শুনেছেন তিনি। প্রশাসনের কাছে তিনি একটাই আবেদন রাখেছেন দোষীদের বিরুদ্ধে যাতে করা ব্যবস্থা নেয়া হয়।

অক্টোবর ২৫, ২০২২
উৎসব

বর্ধমানের মা কঙ্কালেশ্বরী কালী চামুণ্ডা মতে পূজিত হন

বাংলার ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে দামোদরের বন্যার সময় বর্ধমান পশ্চিম নদীগর্ভ থেকে এই কালী মূর্তি পাওয়া যায়। মূর্তির বয়স আজ পর্যন্ত নির্ণয করা সম্ভব হয়নি। মূর্তিটি কষ্টি পাথরে খোদিত এবং মানব কঙ্কালের মতো দেখতে। বিগ্রহটি অষ্টভূজা। গলায় নরমুণ্ডমালা,পাদতলে শিব স্থায়িত এবং শিবের নাভিকুণ্ড থেকে পদ্ম উঠেছে তার মধ্যে অষ্টভূজা কালী দাঁড়িয়ে। আর শিবের ছুইপাশে আছে দুই শখী।আটটি হাতে রয়েছে নরমৃণ্ড, শঙ্খ, চক্র, ধনুক, খড়গ,পাশি ইত্যাদি। কঙ্কালেশ্বরী কালীর দেহের শিরা উপশিরা গুলির নিখুঁত ভাস্কার্য আজও বর্তমান।এই মূর্তিটি বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিষ্তু মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন সাধক কমলাকান্ত। প্রথমে দিকে কক্কালেশ্বরী কালীর মূর্তিটি দামোদর নদে উল্টে পরেছিল।তার উপর ধোপারা জামা-কাপর কাঁচাকাচি করতো। একদিন মা কঙ্কালেশ্বরী কালী সাধক কমলাকান্তকে স্বপ্নাদেশ দেন যে দামোদর নদ থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করার। সাধক কমলাকান্ত স্বপ্নাদেশের কথা বর্ধমানের মহারাজা কে জানান। তখন মহারাজ সাধক কমলাকান্ত কে সঙ্গে নিয়ে দামোদর নদ থকে মা কক্কালেশ্বরী কালী কে তুলে নিয়ে এসে বর্ধমানের কাঞ্চননগরে রাজার তৈরি বিষ্কু মন্দিরে প্রতিষ্টা করেন।মা কঙ্কালেশ্বরী কালী এখানে চামুণ্ডা মতে পূজিত হয়। প্রতিদিন এখানে সন্ধ্যা আরুতি ও নিত্যসেবা হয়। কালী পুজোর দিন সকলা থেকে পুজো শুরু হয়। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত বহু ভক্তের সমাগম হয় কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দিরে। প্রায় ৬০ হাজার ভক্তের পাত পরে কালী পুজোর দিনে ।পাশাপাশি প্রসাদ বিতরণও করা হয়।এখানে চামুণ্ডা মতে পুজো হওয়ার জন্য বলি হয় না৷ বাংলার ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে দামোদরের বন্যার সময় বর্ধমান পশ্চিম নদীগর্ভ থেকে এই কালী মূর্তি পাওয়া যায়। মূর্তির বয়স আজ পর্যন্ত নি র্ণয় করা সম্ভব হয়নি। মূর্তিটি কষ্টি পাথরে খোদিত এবং মানব কঙ্কালের মতো দেখতে। বিগ্রহটি অষ্টভূজা।গলায় নরমুণ্ডমালা,পাদতলে শিব স্থায়িত এবং শিবের নাভিকুণ্ড থেকে পদ্ম উঠেছে তার মধ্যে অষ্টভূজা কালী দাঁড়িয়ে। আর শিবের ছুইপাশে আছে দুই শখী। আটটি হাতে রয়েছে নরমৃণ্ড,শঙ্খ,চক্র,ধনুক,খড়গ,পাশি ইত্যাদি। কঙ্কালেশ্বরী কালীর দেহের শিরা উপশিরা গুলির নিখুঁত ভাস্কার্য আজও বর্তমান।এই মূর্তিটি বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিষ্তু মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন সাধক কমলাকান্ত। প্রথমে দিকে কক্কালেশ্বরী কালীর মূর্তিটি দামোদর নদে উল্টে পরেছিল।তার উপর ধোপারা জামা-কাপর কাঁচাকাচি করতো। একদিন মা কঙ্কালেশ্বরী কালী সাধক কমলাকান্তকে স্বপ্নাদেশ দেন যে দামোদর নদ থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করার। সাধক কমলাকান্ত বপ্নাদেশের কথা বর্ধমানের মহারাজা কে জানান। তখন মহারাজ সাধক কমলাকান্ত কে সঙ্গে নিয়ে দামোদর নদ থকে মা কক্কালেশ্বরী কালী কে তুলে নিয়ে এসে বর্ধমানের কাঞ্চননগরে রাজার তৈরি বিষ্কু মন্দিরে প্রতিষ্টা করেন।মা কঙ্কালেশ্বরী কালী এখানে চামুণ্ডা মতে পূজিত হয়। প্রতিদিন এখানে সন্ধ্যা আরুতি ও নিত্যসেবা হয়। কালী পুজোর দিন সকলা থেকে পুজো শুরু হয়। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত বহু ভক্তের সমাগম হয় কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দিরে। প্রায় ৬০ হাজার ভক্তের পাত পরে কালী পুজোর দিনে ।পাশাপাশি প্রসাদ বিতরণও করা হয়।এখানে চামুণ্ডা মতে পুজো হওয়ার জন্য বলি হয় না৷

অক্টোবর ২৪, ২০২২
রাজ্য

এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং, মাটি হতে পারে উৎসব

উৎসবের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং নিয়ে চূড়ান্ত সতর্কতা এরাজ্যেও। কালীপুজোর আনন্দ মাটি করে দিতে পারে সিত্রাং। হাওয়া অফিসের চূড়ান্ত আপডেট, মঙ্গলবার ভোরেই আছড়ে পড়বে প্রবল শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়। তবে গতি অনুযায়ী ল্যান্ডফল হবে বাংলাদেশের বরিশালে। কিন্তু এই ঝড়ের ব্যাপক প্রভাব পড়তে চলেছে উপকূলবর্তী জেলাগুলি ও দক্ষিণবঙ্গের একাংশে। ইতিমধ্যেই ভোর থেকে বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, বেলা বাড়তেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোড়ে সিত্রাং বাংলাদেশের তিনকোনা দ্বীপ ও সন্দ্বীপের মাঝামাঝি কোনও একটা জায়গায় আছড়ে পড়বে। এখানে ল্যান্ডফল না হলেও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে এরাজ্যেও। পূর্ব মেদিনীপুর ছাড়া সিত্রাংয়ের প্রভাব পড়বে দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনায়। বৃষ্টি হবে কলকাতাতেও।বঙ্গোপসাগরে ইতিমধ্যেই শক্তি সঞ্চয় করেছে সিত্রাং, জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এদিন ভোর থেকেই রাজ্যের একাধিক জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ভারি বর্ষণের সঙ্গে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সিত্রাং সমুদ্র থেকে স্থলভাগের কাছাকাছি আসতেই ঝড়-বৃষ্টির দাপট বাড়বে।ইতিমধ্যেই জরুরি ভিত্তিতে সরকারি দফতরের ছুটি বাতিল করেছে নবান্ন। সতর্ক রাজ্য প্রশাসন। পূর্ব মেদিনীপুর ও দুই ২৪ পরগনার জেলা প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। দুর্যোগ মোকাবিলায় সমস্তরকম ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া আগেই নিষেধ করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
রাজ্য

প্রতিপদেই কালীপুজো! উল্টোপুড়ান বর্ধমানের এই গ্রামে, জানুন সেই কাহিনী

এই গ্রামে কালীপুজো হয় প্রতিপদে, আর্থাৎ পুজোর আগের দিন রাতে। গ্রামের নাম তরুল। পূর্ব বর্ধমান জেলার খন্ডঘোষের এলাকায় এই তরুল গ্রাম। আড়াইশো বছরের বেশি সময় ধরে এভাবেই পুজো হয়ে আসছে।একটা বড় মাঠের মাঝখানে এই মন্দির। এখানেই নানা সহচর সহচরী নিয়ে দেবীর মূর্তি। জনশ্রুতি এই গ্রামের এক সাধিকাকে গ্রামের মানুষ দেবীর অংশ মনে করতেন। তাকে পুজো করা হয় এখানে। ভুত চতুর্দশীর রাতে ঘট তোলার পর পুজো শুরু হয়। সকালে হয় প্রসাদ বিতরণ। এই ভোগের পুরোটাই রান্না হয় তালপাতার জ্বাল দিয়ে। পরের দিন হাজার হাজার মানুষ ভোগের প্রসাদ খেতে আসেন। আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম থেকে মানুষের ঢল নামে।গ্রামবাসীরা জানালেন, এই পুজোর আসল মাহাত্ম খাওয়াদাওয়ায়। খাওয়াই এই পুজোর মূল ব্যাপার। একে একদিন আগে পুজো আর তারপর পাত পেতে হাজার হাজার মানুষের খাওয়া। দুটোই অভিনব।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
রাজনীতি

বিজেপি সাংসদ স্বামীকে মস্তিষ্ক বিকৃত হয়েছে বলে কটাক্ষ তৃণমূল নেত্রী স্ত্রীর

সাংসদ সৌমিত্র খাঁকে নিয়ে সরব হলেন তার প্রাক্তন স্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী সুজাতা মণ্ডল। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় বর্ধমানের মেহেদী বাগানে একটি কালী পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেত্রী সুজাতা মণ্ডল। তিনি বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ তথা তথা তার প্রাক্তন স্বামীকে মস্তিষ্ক বিকৃত হয়েছে বলে কটাক্ষ করেন।তিনি বলেন, উনি তো কোথাও গুরুত্ব পান না। উনি যখন যে দলে থাকেন সেই দলকেই পাগল করে মারেন। তিনি যখন তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলেন তখন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে উল্টো পাল্টা কথা বলেছেন। এখন তিনি যে দলে আছেন সেই দলের বিরুদ্ধে বলছেন। নিশ্চয় গুরুত্ব না পাবার মত কিছু করেছেন। তবে ওই দলে কদিন থাকবে তা নিয়েও তিনি সন্দিহান প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, রাজনীতি করতে আসা মানে পাবার জায়গা নয়। পদ চাই তা নয়।মানুষের জন্য কাজ করা।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

টুইন টাওয়ার ছেড়ে মানুষ ভিড় জমিয়েছে হরিনারায়নপুরের রুদ্রানীর 'পোড়ো বাড়িতে'

রাজ্যের শস্যভান্ডার বর্ধমানের প্রধান পুজো দুর্গাপুজো হলেও, দুর্গাপুজোর রেশকে অনেকটাই জিইয়ে রেখে শহর বর্ধমান মেতেছে কালীপুজোয়। দুর্গাপুজোর মতই কালীপুজোতেও শহরে আনাচে কানাচে থিমের রমরমা। এবারে কালী পুজোর বিশেষ আকর্ষণ সাম্প্রতিক সময়ে বহু চর্চিত টুইন টাওয়ার বর্ধমান শহরের পাড়াপুকুরের রাসবিহারি এ্যথলেটিক ইউনাইটেড ক্লাব। কালীপুজোতে বেশ কয়েক বছর ধরে নিত্যনতুন থিমের চমক দিচ্ছে তারা।গত বছর বুর্জ খালিফা করে শহরের নজর টেনেছিল এই ক্লাব। এবারে তাদের মণ্ডপের থিম- টুইন টাওয়ার। ৯/১১/২০০১ র যে টুইন টাওয়ার ভাঙা নিয়ে বিশ্ব জুড়ে তোলপাড় হয়। সেটাই এবার কালীপুজোর থিম ভাবনায় উঠে এসেছে। টিন,ফোম,দড়ি, থার্মোকল,বাঁশ দিয়ে তৈরি হয়েছে মণ্ডপ। লাইট এণ্ড সাউণ্ডের মাধ্যমে আলোর খেলা দেখানো হবে মণ্ডপ জুড়ে। স্লট করে আলোকসজ্জা প্রদর্শন করা হবে। সঙ্গে ডাকের সাজের চিরায়ত প্রতিমা,কাঁচের চুমকির কাজে সজ্জিত মূর্তি।বনানী রায় ও ডঃ শিবকালী গুপ্তআলোর রোশনাই ছেড়ে এবারে দর্শকের মন কেড়েছে হটুদেওয়ান এলাকার বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের কালি পুজো। এবছর তাদের ১৪ তম বর্ষ। বেশ কয়েক বছর ধরেই তাঁরা কালি পুজোতে নানা থিমের উদ্যোগ নিয়েছেন। এবছর তাঁদের কালি পুজোর ভাবনা রূদ্রানীর আদিবাস। রুদ্র মুর্তীর অধিষ্টাত্রী দেবী শ্যমা মায়ের পুজোয় ব্রতী হয়েছেন তাঁরা। প্রাচীন কালের ভগ্নপ্রায় মায়ের বাসস্থানকে থিম হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে।উদ্যোক্তা বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের সদস্য সৌম্য দাস জনতার কথা জানালেন, দুর্গা-প্রতিমা বিসর্জনের পরের দিন থেকেই তাঁরা এই পুজো আয়োজনে নেমে পড়েছেন। গতবছর তাঁরা ২৭ ফুটের সুউচ্চ প্যন্ডেল করেছিলেন। ভারতের সাধকেদের তাঁদের থিমের মধ্য দিয়ে সন্মান জ্ঞ্যাপন করেছেন। তিনি আরও জানান, এই এলাকায় সেই ভাবে কালী পুজো হতো না। আমদের পুজো উত্তরোত্তর জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় অনেক দূরদুরান্ত থেকে আমাদের পুজো দেখতে আসেন। সেই কারণে আমাদেরও দ্বায়িত্ব বেড়ে যাচ্ছে সেই ধারাকে বজায় রাখার। তিনি জানান এবারে তাঁরা ঠাকুর এনেছেন সুদুর হুগলী জেলার গুপ্তিপাড়া থেকে, থিমের কারিগর এসেছেন গলসী থেকে। বাইরের কারিগরের সাথে তারাও সমান তালে হাত লাগিয়েছেন বলেই এত কম সময়ে এই পুজো আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি জানান।ক্লাবের আরও এক সদস্য শৈলেন বিশ্বাস জানান, তাঁরা এই থিম বানাতে যে সমস্ত দ্রব্য ব্যবহার করেছেন তার শতকরা নব্বই ভাগই পরিবেশ বান্ধব। পরিবেশ সচেতনাতার বার্তা দেওয়ার জন্য তাঁরা প্লাস্টিকের ব্যবহার সেই ভাবে করেননি। তাঁদের এই থিমের মধ্যে দিয়ে এই বার্তা দিতে চাইছেন,যে ভাবে প্রাচীন বাড়িগুলি ভেঙে আবাসন গড়ে উঠছে শহর জুড়ে তাতে আর কিছুদিনের মধ্যেই আমরা প্রাচীন ইতিহ্য বলে যে একটা শব্দ আছে সেটাও ভুলতে বসবো।আমি সেই মেয়ে-তুনা রুদ্রপুজোর উদ্বোধন করেন বর্ধমান জেলা মহিলা থানার আই সি বনানী রায় ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যলয়ের অধীনস্ত ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি অধ্যাপক ডঃ শিবকালী গুপ্ত। বানানি রায় বলেন, দীপাবলি আলোর উৎসব, এই উৎসবে আমরা যেমন আমরা বাইরের জগৎটাকে আলো দিয়ে সাজায়, মা কালি যেন ঠিক সেই আলো দিয়েই মনের সব অন্ধকার কে দূর করে দেন। অপর অথিতি ডঃ শিবকালী গুপ্ত জানান, এই দীপাবলি যেন আমাদের মনের সব অন্ধকার দূর করে দেয়। তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের সমবেত চেষ্টায় করোনার মত অতিমারী কে দূর করতে পারছি, আমাদের সার্বিক চেষ্টায় সকল অন্ধকারও দূর হবে এই আশায় তিনি করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেন তাঁরা। কচি কাঁচাদের নাচে গানে ভরে ওঠে পূজা প্রাঙ্গণ। বিশিষ্ট নৃত্য শিল্পী তুনা রুদ্রর নৃত্য পরিবেসন করেন। তাঁর আমি সেই মেয়ে দর্শকদের মন জয় করে নেয়। তাঁর এই অনুষ্ঠানে অভিনয়, অভিব্যক্তি দর্শকদের নির্বাক করে দেয়। অনুষ্ঠানে ক্ষুদে শিল্পী জয়মাল্য ও চঞ্চল চৌধুরির শিবের সাক্ষাতকার এক অন্য মাত্রা যোগ করে। এছাড়াও নাচে, গানে, কবিতায় অংশগ্রহণ করেন নৈরিক ভকত, সম্পূর্না চক্রবর্তী, দিয়া সামন্ত,নিধি মণ্ডল, সংকলন চৌধুরী সহ আরও অনেকে।বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের আরও এক সদস্য চঞ্চল চৌধুরী জনতার কথা কে জানান, আগামী কাল সোমবার সন্ধ্যা ৭টাই পুজো শুরু, মঙ্গলবার রাতে মায়ের ভোগ বিতরণ, বুধবার সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠানের শেষে মায়ের বিসর্জন। তিনি বর্ধমান বাসীকে জনতার কথার মাধ্যমে তাঁদের এই পুজোয় আমন্ত্রণ জানান।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

বর্ধমানের দূর্ল্লভা কালী একই অঙ্গে কালী, দুর্গা, চণ্ডী ও বিপত্তারিণী রূপে পূজিত

কালী, দুর্গা, চণ্ডী অথবা বিপত্তারিণী। বছরভর বিভিন্ন মরসুমে সব দেবীরই পুজো হয় এক মূর্তিতে। এমন ভাবেই তিন শতকেরও বেশি সময় ধরে বর্ধমান শহর লাগোয়া লাকুড্ডি এলাকায় দুর্লভা কালীর পুজো চলছে। মন্দিরে গিয়ে দেখা গেল, কালীপুজোর আগে এখন সেখানে সাজোসাজো রব।লোকশ্রুতি থেকে জানা যায়, বর্ধমানের মহারাজার আনুকুল্যেই দেবী মন্দিরের প্রতিষ্ঠা হয়। একদা গোকুলানন্দ ব্রহ্মচারী নামে এক পরিব্রাজক সন্যাসী ঘুরতে ঘুরতে জঙ্গলে পরিপূর্ণ লাকুড্ডিতে হাজির হন। শুরু করেন দেবী আরাধনা। একদিন গোকুলানন্দ মন্দিরের পাশে পুকুরে স্নান করতে গিয়ে তার পায়ে একটি পাথর ঠেকে। তখন তিনি ওই পাথর টিকে তুলে নিয়ে আসেন। এর পর মা কালী সন্যাসী গোকুলানন্দকে স্বম্নাদেশ দেয় তাঁকে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করতে তারপর সন্ন্যাসী গোকুলানন্দ বর্ধমানে লাকুড্ডিতে তাল পাতার ছাউনী দিয়ে মন্দির তৈরি করে পাথরটিকে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করেন। জড়ো হন ভক্তেরাও। কথিত রয়েছে, গোকুলানন্দের সাধনা ও বিভিন্ন দৈব শক্তির খবর যায় বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চাঁদ মহতাবের দরবারেও। একদিন মহারাজ বিজয়চাঁদ ঘুরতে ঘুরতে সন্যাসী গোকুলানন্দ কাছে পৌছান। তখন সন্যাসী গোকুলানন্দ মহারাজ বিজয়চাঁদকে অমাবস্যার দিন যোগবলে পূর্ণচন্দ্র দেখিয়েছিলেন। এরপর বিজয়চাঁদ মুগ্ধ হয়ে প্রায় দশ বিঘে জায়গার উপর একটি দালান মন্দির তৈরি করে দেন। পাশেই তৈরি করা হয় বেশ কয়েকটি শিব মন্দিরও। এ ভাবেই ধীরে ধীরে দেবী দূর্লভার প্রসিদ্ধি ছড়িয়ে পড়ে সংলগ্ন এলাকায়।তবে দেবীর নাম দুর্লভা হওয়া নিয়েও একটি গল্প প্রচলিত আছে।বর্তমানে মন্দিরের পুরহিত মঙ্গলা ভট্টাচার্য জানান,.গোকুলানন্দ স্বামী মারা যাওয়ার পরে দুর্লভ ভট্টাচার্য নামে একজনকে পুরোহিত হিসেবে নিয়োগ করেন রাজা বিজয়চাঁদ। রাজ অনুগ্রহে মন্দির ও সম্পত্তিরও অধিকারী হন তিনি। এই দুর্লভ ভট্টাচার্যের নামেই দেবী এখানে ছুর্লভা নামে পরিচিত।ভষ্টাচার্য পরিবারের সূত্রে জানা গেল, দেবী এখানে শ্বেত পাথরের মুর্তিতে পুজীতা হন। তবে দেবীর মূর্তিটি প্রথমে মাটির ছিল। পরে তা অষ্টধাতুতে তৈরি করা হয়। তবে সেই মুর্তি চুরি যায়। তারপর মহারাজা বিজয়চাঁদের নির্দেশে দেবী বেলকাঠের মূর্তিতে পুজিতা হতেন। কিন্তু সময়ের ফেরে ওই বেলকাঠেও ঘুন ধরে। তারপর খানেকের মধ্যে তাতেও ফাটল ধরে। ছুবছর আগে রাজস্থান থেকে সাড়ে চার ফুট উচ্চতার শ্বেত পাথরের মূর্তিটি আনা হয় বলে জানান মন্দিরের বর্তমান পুরোহিত মঙ্গল ভ্টাচার্য। দুর্গাপুজোর সময় এখানে চারদিন ধরে পুজো হয়। তবে কালীপুজোর সময়মতো রাতভর পুজো হয়। প্রতিদিন নিত্যপুজোর সময় অন্নভোগ দেওয়া হয় এবং ওই দিন মন্দিরের ভিতরে ভক্তদের বসিয়ে খিঁচুড়ি প্রসাদ খাওয়ানো হয়। একসময় দেবী দুর্লভা কালী ডাকাত কালী নামেও পরিচিতি ছিল।

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজ্য

চায়না আলোর দাপটে ম্রিয়মাণ মাটির দীপাবলীর মাটির প্রদীপ

এক সময় পুজোর আগে থেকেই শুরু হত দীপাবলীর জন্য মাটির প্রদীপ তৈরির কাজ। দুর্গা পুজো, লক্ষী পুজো পরপর পেরিয়ে গেলেও হুশ থাকতো না বর্ধমানের মৃত্শিল্পীদের। ঠিক সময় অর্ডারী মাল তৈরি করতে হবে। সেই জন্য নাওয়া খাওয়া ভুলে শুধু মূত্শিল্পীরা নন কার্যত গোটা পরিবার প্রদীপ তৈরিতে ব্যস্ত থাকত। শুধুকি বর্ধমান শহর,শহর ছাড়িয়ে নীলপুরের মাটির প্রদীপ গোটা জেলায় এমন কি ভিন জেলাতেও পৌঁছে যেত। সময় বদলেছে,বদলেছে মৃতশিল্পীদের কাজের ধরণ। বদলেগেছে মানুষের চাহিদাও। ঝাচকচকে এলিডি টুনিতে মজেছে সকলো ব্রাত্য হয়ে পড়েছে মাটির প্রদীপ।এখন আর সেই রকম অর্ডার পাতি হয় না।চাহিদা কমে গেছে তবুও মৃত্শিল্পীরা প্রদীপ তৈরি করেন। বাপ-ঠাকুরদার পেশা কি করেই বা ছেড়ে অন্য পেশায় যাবে। তাই চাহিদা না থাকলেও প্রতি বছরই প্রদীপ তৈরি করেন। ছোট,পাতি,মাঝারি,সাজার সহ বিভিন্ন ধরণের প্রদীপ তৈরি করেন। এক সময় কালী পুজোর আগে নীলপুরের মৃৎশিল্পীদের উঠোনে পা ফেলার জায়গা থাকতো না। শরতের রোদ বৃষ্টি খেলার মাঝেই গোটা উঠোন জুড়ে দীপাবলীর প্রদীপ শুকানো হত। আগে গোটা পাড়ায় ৩০ ঘরের বেশী বাড়িতে প্রদীপ বানানো হত। চাহিদা কমে যাওয়ায় এখন মাত্র তিন থকে চারটি বাড়িতে প্রদীপ তৈরি হয়। নতুন প্রজন্ম জীবিকার টানে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। চাহিদা কমে যাওয়ায় এখন সংকটে মৃৎশিল্পীরা। বাজারে সল্প মূল্যের রীন টুনির হরেকরেকমবা দাপটে পিছিয়ে পড়েছে কুমোর পড়ার গরুর গাড়ি থুরি মৃত্শিল্পীরা।

অক্টোবর ১৭, ২০২২
রাজ্য

Kali Puja: "বাংলার পূজার্চনা সাধকের আনাগোনা", মানুষ ভিড় করছে দুর্গামাতা সংঘে

বাহির সর্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের শ্যামাপুজো এবার ত্রয়োদশ বর্ষে পদার্পণ করল। বর্ধমান শহরের হাটুদেওয়ানের এই সংঘের এবারের থিম: বাংলার পূজার্চনা সাধকের আনাগোনা। দেবী কালীর সঙ্গে সাধকদের যোগ। এছাড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেছে দুর্গামাতা সংঘ।ত্রৈলঙ্গ স্বামী থেকে বামা খ্যাপা, রামকৃষ্ণ বা রামপ্রসাদ, কমলাকান্ত থেকে আগমবাগীশ বাদ নেই কোনও কালীসাধক-ই। অপরূপ সৌন্দর্যে শোলার কাজে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে থিমের বিষয়বস্তু। বুধবার পুজোর উদ্বোধন হয়েছে। পুজোর উদ্বোধন করেন পুর্ব-বর্ধমান মহিলা থানার আই সি বনানী রায় ও বিশিষ্ট সমাজসেবী অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল। পুজের আগের দিন থেকেই মানুষ ভিড় করেছে দুর্গামাতা সংঘের মন্ডপে।সংঘের সদস্য তারকনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরা তেরো বছর ধরে কালীপুজো করছি। এবার থিমে আমরা সব কালীসাধকদের একই ফ্রেমে রেখেছি। প্রথমত শ্যামাপুজোয় তাঁদের স্মরণ করা হল, দ্বিতীয়ত খ্যাতনামা কালীসাধকদের ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। সার্বিক ভাবে এলাকাবাসীর সহযোগিতা বরাবরই পেয়ে থাকি। করোনা আবহেও সবাই এগিয়ে এসেছে। রাজ্য সরকারের কোভিড বিধি মেনেই চলছে পুজোর কার্যক্রম।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kali Puja : কালীপুজোর আড্ডায় জনতার কথায় অভিনেত্রী মৌলী দত্ত

আজ বাঙালির কালীপুজো। করোনা বিধি মেনে সকলে নিজেদের মতো করে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করছেন। বাদ নেই তারকারাও। তারাও অভিনয়ের ব্যস্ত শিডিউল সামলেও কালীপুজোর আনন্দে মেতে উঠেছেন। সেরকমই অপরাজিতা অপু ধারাবাহিকের বর্ষা অর্থাৎ অভিনেত্রী মৌলী দত্ত তার এবারের কালীপুজোর প্ল্যান শেয়ার করলেন জনতার কথার সঙ্গে। জনতার কথাঃ কালীপুজোয় কী প্ল্যান? মৌলীঃ কালীপুজোর আজ অপরাজিতা অপুর শুটিং ছিল। কিন্তু গুড লাক যে আমাকে আজ শুটিং-এ যেতে হয়নি। বাড়িটা গোছগাছ করলাম। সন্ধ্যেবেলায় প্রদীপ জ্বালালাম।জনতার কথাঃ বাজি ফাটাতে ভালো লাগে?মৌলীঃ দেখো এবার বাজি ফাটানো নিষিদ্ধ করেছে। আর আমার এমনিতেও শব্দবাজি ভালো লাগেনা। আমার বাড়িতে তো পেট আছে। ওরা খুব ভয় পায়। ইভেন রাস্তার কুকুর, বিড়াল, পাখিরা এরা শব্দবাজিতে খুব ভয় পায়। আমার আলোর বাজি মানে আতসবাজি খুব ভালো লাগে। আর প্রদীপ ও মোমবাতি এটা তো বেশ ভালো লাগে। গোটা বাড়ির লাইট অফ থাকবে আর প্রদীপ ও মোমবাতির আলোয় আলোকিত হবে এই বিষয়টা খুব ভালো লাগে। জনতার কথাঃ কালীপুজোয় কি কি মিস করো? মৌলীঃ আমি ছোট থেকেই যেহেতু এই প্রফেশনে আছি তাই শুটিং-এই অলমোস্ট কালীপুজো কাটে। সেরকম কিছু মিস করিনা। তবে গতবছর করোনার সময় কাটোয়াতে ছিলাম আমার বাড়িতে। ওখানে জাগ্রত খেপি মায়ের মন্দির আছে। সেখানে সবাই আমরা যাই। সারাবছরই মায়ের কাঠামোটা থাকে। পুজোর সময় যেহেতু প্রতিমাটা তৈরি করা হয় সেটা দেখার জন্য সবাই ভিড় করে। সেটা মিস করি। মা আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যায়। শোভাযাত্রা যেটাকে বলে। রাত ১২টা-১টা অবধি জেগে থাকা যে মা কখন আসবে, অ্যানাউন্সমেন্ট হবে যে এবার খেপির মা যাবে। এটা মিস করি। এখানে থাকলে সেটা হয় না। ২০২০ তে বাড়িতে ছিলাম বলে হয়েছিল। জনতার কথাঃ কালীপুজোর কোনও মেমোরি শেয়ার করো। মৌলীঃ মেমোরি বলতে কালীপুজো নিয়ে খুব একটা মেমোরি কিছু নেই। কালীপুজো এরকমভাবেই কাটে। তবে এইবছর একটা ভালো জিনিস বলতে পারি আমি লাস্ট যে প্রোজেক্ট শেষ করেছিলাম যে প্রোজেক্টটা NT-1 স্টুডিওতে হতো। সেখানে কালীপুজো হয়। এইবছরও সেই স্টুডিও তে কাজ করছি। টুনি লাইট দিয়ে পুরোটা সাজানো রয়েছে। খুব ভালো লাগছে। তবে সেরকম মেমোরিস কিছু নেই।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Upasana Maitra: কালীপুজোর আড্ডায় জনতার কথায় অভিনেত্রী উপাসনা মৈত্র

তার অভিনয় শুরু হয় মডেলিং ও র্যাম্প ওয়াক দিয়ে। সেখান থেকে বাংলা ফিচার ফিল্ম খুঁজে বেড়াই তারে তে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ভোজপুরি ছবি করেছেন। বর্তমানে শুভেন্দু দাসের পরিচালনায় ওম্যান পাওয়ার এ অভিনয় করছেন। যার শুটিং খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে। অভিনেত্রী উপাসনা মৈত্র জনতার কথার মুখোমুখি। সাক্ষাৎকারের মূল বিষয় ছিল কালীপুজো ও ভাইফোটায় তার কি প্ল্যান। জনতার কথাঃ কেমন আছো?উপাসনাঃ আপাতত একটু ব্যালেন্স করেছি। করোনার জন্য যা ছিল এখন একটু ব্যালেন্স করেছি। জনতার কথাঃ এবারে কালীপুজোয় কি প্ল্যান?উপাসনাঃ আমার বাড়ির কালী হচ্ছে প্রতিষ্ঠিত কালী। তো আমাদের এটা প্রপিতামহর আমল থেকে চলে আসছে। কালীপুজো আমার বাড়িতেই হয়। তো ওটাই করবো।জনতার কথাঃ কালীপুজোয় বাজি ফাটাতে ভালো লাগে? না কি প্রদীপ জ্বালানো পর্যন্তই ঠিক আছে?উপাসনাঃ না, আমি একটু আগাগোড়াই ডানপিটে টাইপের মেয়ে। তো আমি একটু কালীপটকা, বোম এগুলো ফাটাতে বেশি পছন্দ করি। তারাবাতি আমার খুব একটা ভালো লাগে না। এখন তো নিউজে শুনলাম হাইকোর্ট থেকে অর্ডার দিয়েছে এবছর শব্দবাজি ফাটানো যাবে না। ঠিক আছে হাইকোর্ট যেটা অর্ডার দিয়েছে সেটাই মানবো। কিছু করার নেই। জনতার কথাঃ এবারে ভাইফোঁটায় কি করবে?উপাসনাঃ আই অ্যাম দ্য অনলি চাইল্ড অফ মাই পেরেন্টস। ভাই, বোন বলে তো কিছু নেই। তাই ভাইফোঁটা ব্যাপারটা নেই।

অক্টোবর ২৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরে মমতার গাড়িতে কাদা-জুতো! ‘চোর’ স্লোগানের পর পানিহাটি থেকে বিস্ফোরক বার্তা শুভেন্দুর

হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, রবিবার তাঁর গাড়ি যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। সেই সময় গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। মমতাকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে দাবি।পানিহাটিতে তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথেষ্ট ব্যবস্থা করেছিল। টেলিভিশনের ছবিতে তিনি এক জন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে দেখেছেন বলেও জানান শুভেন্দু।শুভেন্দুর আরও দাবি, ঘটনাস্থলে বিজেপির কোনও পরিচিত মুখ বা দলীয় পতাকা তিনি দেখতে পাননি। একই সঙ্গে তিনি মমতার হালিশহর সফর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ছুটির দিনে এক জন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে মমতা সেখানে গিয়েছিলেন এবং পুলিশকে আগে থেকে জানানো হয়নি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাকে যথাসম্ভব নিরাপত্তা ও সম্মান দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। তবে তাঁর পরামর্শ, কেউ সাহায্য চাইলে অবশ্যই সাহায্য করা উচিত। কিন্তু এমন কোনও জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়।হালিশহরের ঘটনার সূত্রপাত থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, মৃত ব্যক্তি তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। রবিবার তাঁর বাড়িতে যাওয়ার পথেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। কাদা ও জুতো ছোড়ার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।এই প্রসঙ্গেই মমতাকে তিলোত্তমার বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলেন তিনি। তিলোত্তমাকাণ্ডের সময়কার একাধিক অভিযোগ তুলে মমতার বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এক দিকে হালিশহরে মমতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ও কাদা-জুতো ছোড়ার অভিযোগ, অন্য দিকে সেই ঘটনার নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্যসব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ফের উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দু’মাস কোথায় ছিলেন? ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে মুখ খুললেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত, জানালেন সব

দুমাস ধরে পুলিশের খোঁজের বাইরে ছিলেন তিনি। তাঁর সন্ধানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। পরপর দুদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার তদন্তকারীদের দফতর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে জমি প্রতারণার মামলায় শনিবার সুমিতকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিআইডি। রবিবারও তাঁকে ফের ডাকা হয়। এদিন প্রায় আট ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। ভবানী ভবন থেকে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সুমিত। তবে মামলা বিচারাধীন থাকার কারণে বেশির ভাগ বিষয়েই মন্তব্য করতে চাননি তিনি।গত দুমাস কোথায় ছিলেন, সাংবাদিকেরা এই প্রশ্ন করলে প্রথমে সুমিত বলেন, আমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারব না। পরে একই প্রশ্ন করা হলে তাঁর সংক্ষিপ্ত জবাব, এদিকে, আশপাশেই ছিলাম। তাঁর এই মন্তব্যের পর তিনি কলকাতাতেই ছিলেন কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।এত দিন আত্মগোপনে থাকার কারণ জানতে চাওয়া হলে সুমিত বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যেমন নির্দেশ দিয়েছে, তা-ই তো মেনে চলছি। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়েও মুখ খুলতে চাননি তিনি। সেবাশ্রয়-সহ একাধিক বিষয়ে তাঁর নাম জড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলে বলেন, মন্তব্য করতে পারব না।তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে সুমিত বলেন, হতে পারে। তবে কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, মামলা আদালতে বিচারাধীন। পুলিশ যখনই ডাকবে, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন।তাঁর বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয়। সেই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে সুমিত বলেন, বাজে কথা। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলিকে মিথ্যা বলেও দাবি করেন তিনি।এর আগে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যেতে দেখা যায়। তৃণমূলের গাড়িতে করে সেখানে যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। তার জবাবে সুমিত বলেন, যে অফিসে কাজ করি, সেই অফিস থেকে গাড়িটা দিয়েছে।এদিকে সুমিত নিজেই জানিয়েছেন, তাঁকে আগামী দিনেও তদন্তকারীদের সামনে হাজির হতে হবে। চাকরি দুর্নীতি সংক্রান্ত ডেবরার মামলায় তাঁকে ফের ডাকা হয়েছে। তাঁর কথায়, কাল ১১টার সময় ডেকেছে। তবে এদিন কোনও নথি সঙ্গে আনতে বলা হয়নি বলেও জানান তিনি।শালবনীর জমি প্রতারণা মামলা-সহ সুমিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও লুকআউট নোটিসও জারি হয়েছিল বলে জানা যায়। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর তদন্তে সহযোগিতা করতে শুরু করেন তিনি। পরপর দুদিন ভবানী ভবনে জিজ্ঞাসাবাদের পর সুমিতের দুমাস কোথায় ছিলেনএই প্রশ্নের উত্তর ঘিরেই এখন নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

‘লম্বা লড়াই, তবে তিলোত্তমাই জিতবে’, পানিহাটিতে শুভেন্দুর বিস্ফোরক ঘোষণা, ফের তদন্তের নির্দেশ

অভিশপ্ত ৯ অগাস্টের দুবছর পূর্ণ হল। তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীতে রবিবার পানিহাটিতে আয়োজিত স্মরণসভায় উপস্থিত হয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু-রহস্য আরও গভীরে গিয়ে খতিয়ে দেখার জন্য নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সভায় শুভেন্দু বলেন, লম্বা দুবছরের লড়াই। দীর্ঘ লড়াই। তবে আমি বলছি, নিশ্চিত ভাবে এই লড়াইয়ে তিলোত্তমা জিতবে। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোনও জায়গা থাকবে না। ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিলোত্তমার দেহ তড়িঘড়ি সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। সেই সূত্রে তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের তদন্ত প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার রুম থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনা গোটা রাজ্য তথা দেশের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছিল। তদন্তে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সঞ্জয় রায়ের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই তিলোত্তমার পরিবার দাবি করে এসেছে, এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর নতুন করে তদন্তের ঘোষণাকে তাই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে তিলোত্তমার পরিবার। তাঁদের আশা, এত দিন যে প্রশ্নগুলির উত্তর মেলেনি, নতুন তদন্তে তার কিছুটা হলেও স্পষ্ট হবে।তিলোত্তমার মৃত্যুর দুবছরের স্মরণসভায় নিজের সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করে বলেন, রাখিপূর্ণিমার দিন অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযানের সময় তিলোত্তমার মায়ের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ হয়েছিল। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতেও দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, আমি ভুলি না। যা করণীয় কাজ করছি, আগামী দিনেও করব। এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে। ফলে তিলোত্তমাকাণ্ডে নতুন করে শুরু হওয়া তদন্তে ঠিক কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হয় এবং পুরনো কোনও প্রশ্নের নতুন উত্তর মেলে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
রাজ্য

হালিশহরে মমতার গাড়িতে হামলা? ‘টার্গেট ছিল মমতাকে শেষ করা’, বিস্ফোরক দাবি কল্যাণের

হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে জুতো, ইট ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।মমতার সঙ্গে এদিন ছিলেন তৃণমূলের সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, হালিশহরে যাওয়ার সময় মমতার গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁকে লক্ষ্য করে ওঠে চোর স্লোগানও। পরিস্থিতির জেরে কিছু সময় গাড়ি আটকে থাকে বলে তৃণমূলের দাবি।হালিশহর থেকে ফিরে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং গাড়ির সামনে বাধা তৈরি করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বাইরে থেকে লোক এনে জমায়েত করা হয়েছিল এবং প্রায় এক ঘণ্টা তাঁদের আটকে রাখা হয়।কল্যাণের আরও দাবি, মমতার গাড়িতে যেভাবে পাথর ছোড়া হয়েছে, তাতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল এবং তাঁকে শেষ করে দেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সরব হন। তাঁর দাবি, গাড়ি লক্ষ্য করে প্রচুর ইট ছোড়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কর্মীদের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।মমতার বক্তব্য, তাঁকে এভাবে থামানো যাবে না। তিনি আরও বলেন, তিনি মানুষের কাছে যাবেন এবং কোনও বাধাতেই পিছিয়ে আসবেন না।হালিশহর থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তিকে তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করেছেন মমতা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেই হালিশহরে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সফর ঘিরে বিক্ষোভ, গাড়িতে ইট-পাথর ছোড়ার অভিযোগ এবং পাল্টা রাজনৈতিক আক্রমণে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি।ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন, বিক্ষোভ কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং গাড়ি লক্ষ্য করে সত্যিই ইট-পাথর ছোড়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত ছবি সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal